1. baiozidkhan@gmail.com : admin_bizp :
ঝুঁকি থেকে মুক্তি সঠিক পলিসি নির্ধারণ - Business Protidin
শিরোনাম :
প্রোটেক্টিভ ইসলামী লাইফের উন্নয়ন সভা অনুষ্ঠিত দেশে সরকারি ‘সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের’ কার্যক্রম শুরু ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের জন্য ‘ক্ষুদ্র ঋণ ব্যাংক’ গঠনের উদ্যাগ সরকারের পঞ্চমবারের মতো সাউথ এশিয়ান বিজনেস এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড অর্জন সোনালী লাইফের বেতন কমছে ‘সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক’ কর্মীদের ব্যাংক-আর্থিক প্রতিষ্ঠানের এমডি হতে লাগবে ২৫ বছরের অভিজ্ঞতা লাভেলো আইসক্রিমের এমডির পরিবারসহ দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা প্রতিষ্ঠান টিকে থাকা ও সফলতার মৌলিক ভিত্তি: আমির খসরু দারিদ্র্যসীমার নিচে যাওয়ার ঝুঁকিতে দেশের ৬ কোটি ২০ লাখ মানুষ: বিশ্বব্যাংক ব্যাংক কর্মকর্তাদের বিদেশ ভ্রমণ নিয়ে কঠোর নির্দেশনা জারি

ঝুঁকি থেকে মুক্তি সঠিক পলিসি নির্ধারণ

  • সর্বশেষ আপডেট : বৃহস্পতিবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২৫

আবদুল্লাহ আল জুবায়ের: ঝুঁকি সকল প্রশাসনিক এবং ব্যবসায়িক কর্মকাণ্ডের অন্তর্নিহিত। ঝুঁকি হলো এমন ঘটনা বা পরিস্থিতি যা সাংগঠনিক লক্ষ্য বা ব্যবসায়িক উদ্দেশ্যের উপর ক্ষতিকর বা নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। অনিশ্চয়তার পরিণতির মুখোমুখি হওয়াই ঝুঁকি গঠন করে।

ঝুঁকি ব্যবস্থাপনার গুরুত্ব হলো এটি সম্ভাব্য ক্ষতি মোকাবিলায় সাহায্য করে, ব্যবসায়িক লক্ষ্য অর্জনের সম্ভাবনা বাড়ায়, এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণ, পরিকল্পনা এবং মূলধনের দক্ষ ব্যবহার উন্নত করে। ঝুঁকি ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে অপ্রত্যাশিত ঘটনার আর্থিক প্রভাব কমিয়ে আনা যায়, যা ব্যবসা, ব্যক্তিগত জীবন এবং আর্থিক সম্পদকে সুরক্ষিত রাখতে সাহায্য করে।

ব্যবসায়িক নিরাপত্তা নির্ভর করে ঝুঁকি ব্যবস্থাপনায়, আর সেই ব্যবস্থাপনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে বীমা। এদিকে থেকে ব্ল্যাংকেট পলিসি যা একসঙ্গে একাধিক সম্পদ ও ঝুঁকিকে সুরক্ষা দেয়। তা ব্যবসায়িক স্থিতিশীলতার জন্য অপরিহার্য হয়ে উঠেছে।বীমা কোম্পানি নির্বাচন করা এখন কৌশলগত সিদ্ধান্তের বিষয়। একটি ভুল পদক্ষেপ ব্যবসার আর্থিক কাঠামো নষ্ট করতে পারে, আবার সঠিক সিদ্ধান্ত হতে পারে দীর্ঘমেয়াদি সুরক্ষার ভিত্তি।

একটি নির্ভরযোগ্য বীমা প্রতিষ্ঠানের মূল শক্তি তার আস্থা ও আর্থিক সক্ষমতা। যেসব প্রতিষ্ঠান সময়মতো দাবি নিষ্পত্তি করে এবং প্রতিশ্রুতি রক্ষা করে, সেগুলোই বাজারে টিকে থাকে। অন্যদিকে আর্থিকভাবে দুর্বল কিংবা অস্বচ্ছ কোম্পানিগুলো ক্ষতির সময় গ্রাহককে হতাশ করে। তাই ব্ল্যাংকেট পলিসি নেওয়ার আগে বীমা প্রতিষ্ঠানের সুনাম, আর্থিক স্থিতি এবং তাদের কার্যক্রমের ইতিহাস যাচাই করাই হতে পারে সবচেয়ে বুদ্ধিদীপ্ত পদক্ষেপ।

বীমা তখনই প্রকৃত অর্থে মূল্যবান হয়ে ওঠে, যখন কোন বিপদের সময় তা কাজে লাগে। অনেক প্রতিষ্ঠান দাবি নিষ্পত্তিতে ধীরগতি ও জটিলতার কারণে গ্রাহকের ভোগান্তি বাড়ায়। অথচ যে কোম্পানি দ্রুত, স্বচ্ছ ও সহানুভূতিশীলভাবে ক্লেইম নিষ্পত্তি করে, সেটিই আসলে প্রকৃত পেশাদার প্রতিষ্ঠান।

একইসঙ্গে দক্ষ গ্রাহকসেবা ব্যবস্থাও একটি প্রতিষ্ঠানের গুণমান নির্ধারণ করে। সহজ যোগাযোগ, অনলাইন সাপোর্ট এবং মানবিক আচরণ- এই তিনটি দিকেই উৎকর্ষতা থাকা জরুরি।

বীমা খাতে প্রতিযোগিতা দিন দিন বাড়ছে, ফলে প্রিমিয়াম রেট অনেকের কাছে বড় বিষয় হয়ে উঠেছে। তবে কম মূল্যে প্রিমিয়াম দেয়ার প্রলোভনে পড়ে দুর্বল প্রতিষ্ঠান বেছে নেয়া বুদ্ধিমানের কাজ নয়। বরং দেখা উচিত- কে মানসম্মত কভারেজ দিচ্ছে, কে বাস্তব ক্ষতির সময় পাশে থাকবে, আর কে দীর্ঘমেয়াদে ব্যবসার সঙ্গে থেকে সুরক্ষার অংশীদার হবে।

সঠিক বীমা কোম্পানি বেছে নেয়া মানে শুধু পলিসি কেনা নয়; এটি আস্থা, নিরাপত্তা ও দায়িত্বের একটি চুক্তি। আজকের প্রতিযোগিতামূলক অর্থনীতিতে সেই আস্থা অর্জন করতে পারে কেবল তারাই, যারা গ্রাহকের পাশে থেকে স্বচ্ছতা ও মানবিকতার সঙ্গে কাজ করে।

বীমা পলিসি ক্রয়ে ঝুঁকি থেকে মুক্তির জন্য ভালো কোম্পানি নির্বাচন করাও গুরুত্বপূর্ণ। যেসব কোম্পানি দাবি পরিশোধে ভালো সুনাম কিংবা ভালো পরিমাণ লাইফ ফান্ড রয়েছে এবং সঠিক ও নিরাপদ বিনিয়োগে আছে এমন কোম্পানি গুরুত্বপূর্ণ। বর্তমানে কিছু কোম্পানি খুব ভালো করছে যেমন, গার্ডিয়ান লাইফ, ন্যাশনাল লাইফ এবং আলফা লাইফসহ বেশ কিছু কোম্পানি অপরিহার্য পারফর্মেন্স করছে।

সংবাদটি শেয়ার করতে নিচের সোশ্যাল মিডিয়া আইকনে ক্লিক করুন...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2025 Businessprotidin.com
Site Customized By NewsTech.Com